
ভারতে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন, যার ভিত্তিতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং যৌতুক সংক্রান্ত ধারায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া প্রমাণ আত্মহত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারে, মৃত ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এবং সম্পর্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।