
সোনালী বেন্দ্রের জমি বিবাদ মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ হলো ২০ এপ্রিলের জন্য নির্ধারিত একটি আদালত শুনানি।
ভূমি জালিয়াতির অভিযোগ সোনালী বেন্দ্রের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ তিনি এবং তাঁর স্বামী এই অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছেন এবং সেগুলিকে ভিত্তিহীন ও চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন।
কৃষকের পৈতৃক জমির দাবি বৈধ বলে প্রমাণিত হতে পারে যদি তাদের কাছে নথিপত্রের একটি সুস্পষ্ট ধারাবাহিকতা এবং আয়ের রেকর্ড থাকে।