
উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী, রেল কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা কর্মসূচির কোনো উল্লেখ নেই। তবে, নাগপুরের একটি রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন লোকো পাইলট আত্মহত্যা করেছেন।
হাসপাতাল কাঠামোগত ঝুঁকি মোকাবিলা করে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করতে পারে।
ঘটনার জেরে রেল কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, যার মধ্যে দুর্বল কর্মক্ষমতার জন্য বাধ্যতামূলক অবসরও রয়েছে।