•২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরায়েল 'অপারেশন এপিক ফিউরি'র অধীনে ইরানের সামরিক ঘাঁটি, পারমাণবিক সুবিধা এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্ল্যান্টে বিমান হামলা চালায়।
•ইরান ইসরায়েলের শহর এবং মার্কিন আঞ্চলিক সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দেয়, যা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে প্রভাব ফেলে।
•বর্তমান পরিস্থিতিকে আচার্য চাণক্যের ২৩০০ বছরের পুরনো 'ষড়গুণ্য সিদ্ধান্ত' (ছয়-গুণ নীতি) এর মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
•চাণক্যের 'সন্ধি' (শান্তি চুক্তি) এবং 'বিগ্রহ' (যুদ্ধ) নীতির অধীনে আমেরিকা ১৫-দফা শান্তি প্রস্তাব দেয়, যা ইরান প্রত্যাখ্যান করে, ফলে 'বিগ্রহ' পরিস্থিতি তৈরি হয়।
•'যান' (অভিযান), 'আসন' (নিরপেক্ষতা), 'সংশ্রয়' (জোট) এবং 'দ্বৈধিভাব' (দ্বৈত নীতি) এর মতো চাণক্যের সূত্রগুলি এই আধুনিক যুদ্ধে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।