
কিডনি পাচার চক্রের কার্যক্রম ব্যাপক বলে মনে হচ্ছে, যার নেটওয়ার্ক কানপুর থেকে আন্তর্জাতিক সংযোগ পর্যন্ত বিস্তৃত।
কিডনি পাচার চক্রের ঘটনায় আরও চিকিৎসক গ্রেপ্তার হতে পারেন, কারণ পুলিশ এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে এক চিকিৎসক দম্পতি এবং দুই ওটি টেকনিশিয়ান রয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবগুলির মধ্যে চলমান শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, ট্রমা বন্ডিং এবং পিতৃতন্ত্রের অব্যাহত উপস্থিতি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।