
জৈব কৃষি মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং চাষের খরচ কমায়, যার ফলে কৃষকদের লাভ বৃদ্ধি পায়। এটি পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়।
অন্যান্য কৃষকরা বেরেলির জৈব চাষের সাফল্য অনুকরণ করতে পারেন গোবর ও গোমূত্র ব্যবহার করে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ ও সার হিসেবে, এবং ভার্মিকম্পোস্ট ব্যবহার করার মতো পদ্ধতি অবলম্বন করে।
সরকারের সহায়তা প্রয়োজন জৈব ফসলের জন্য ন্যূনতম সমর্থন মূল্য (MSP) নির্ধারণের মাধ্যমে, ভর্তুকি সহ জৈব সারের ব্যবহার প্রচার করে এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরিচয় নিশ্চিত করে।