
হ্যাঁ, বরেলিতে এলপিজি সংকট দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে, যার ফলে বাসিন্দারা কেরোসিনের চুলা ও লণ্ঠনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকার কালোবাজারি দমনের চেষ্টা করছে এবং সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাইছে।
বাসিন্দারা বিকল্প রান্নার পদ্ধতি খুঁজছেন, যেমন ইন্ডাকশন কুকিং এবং নির্দিষ্ট খাবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করছেন, যেমন 'ঘাটিয়া'।
সরকার ভবিষ্যতের জ্বালানি সংকট প্রতিরোধে একটি বহুমুখী কৌশল বাস্তবায়ন করছে, যার মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করা, পেট্রোল ও ডিজেলের উপর প্রতি লিটারে ১০ টাকা আবগারি শুল্ক কমানো এবং এক্স আরোপ করা