•দীর্ঘস্থায়ী ঘুমের অভাব ক্লান্তি ও মনোযোগের অভাবের বাইরে গিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলে, মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
•প্রাপ্তবয়স্কদের ৭-৮ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম প্রয়োজন; এর ব্যাঘাত মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, শক্তি পূরণ এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয়।
•ডাঃ জুবাইর সরকার জানান, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় না, ফলে আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয় এবং ব্যক্তি উদ্বেগ ও চাপের প্রতি সংবেদনশীল হয়।
•ডাঃ বিজয় কুমার শর্মা উল্লেখ করেন যে, স্ক্রিন থেকে নির্গত 'ব্লু লাইট' ঘুমের হরমোনকে ব্যাহত করে, যা ঘুমের গুণমান কমিয়ে দেয়।
•বিশেষজ্ঞরা ঘুমের মান উন্নত করতে নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী, ঘুমানোর আগে স্ক্রিন টাইম কমানো এবং শান্ত ঘুমের পরিবেশ তৈরির পরামর্শ দেন।